পয়লা বৈশাখের আগে ঘরের একঘেঁয়েমি কাটিয়ে উঠুন নিমেষেই

বাড়ি সুন্দর করে সাজাতে কে না ভালোবাসে। আর কেউ যদি আমার মতো ঘর সাজানোর ব্যাপারে খুঁতখুঁতে হয় তবে তো আরকথাই নেই। এমনকি বেড়াতে গেলে ভাড়ার হোটেলও অনুপ্রেরণা দেয় গৃহসজ্জার। সত্যিই তো। আপনি যে কোনো জায়গা থেকেইবা যে কোনো কিছু থেকেই শিখতে পারেন। আমার আজকের ব্লগ গৃহসজ্জার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নিয়ে । ঘরের রং থেকেটুকটাক আসবাবের স্থান পরিবর্তন যা ঘরের একঘেঁয়েমিকে কাটিয়ে তোলে নিমেষেই । আসুন ঘরের রং দিয়েই শুরু করা যাক। কেউ ঘরের রং খুব উজ্জ্বল পছন্দ করেন আবার কেউ করেন না।

ঘরের রং করার ক্ষেত্রে খুব উজ্জ্বল রং যদি আপনার পছন্দের না হয়, তবে আপনার ঘরকে আপনি Scandinavian theme একরতে পারেন। Scandinavian theme এ ঘর সাজানোর সময় যে বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখবেন:

  • স্ক্যান্ডিনেভিয়ান বাড়ি সাধারণত সাদা, ধূসর এবং ট্যান রঙের প্যালেটেই তৈরি হয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে একটি স্ক্যান্ডি বাড়ি সম্পূর্ণরূপে রঙ থেকে মুক্ত  হয়। কিছু pop colour ব্যবহার করা যেতেই পারে।
  • হালকা রঙের কাঠের মেঝে এবং কাঠের আসবাবপত্র ব্যবহার করা যায় যা যেকোনো বাড়িতে প্রশান্তি এনে দেয়।
  • অগোছালো জিনিসপত্র যেকোনো  বাড়িতেই কাম্য নয়, এক্ষেত্রেও তাই। প্রকৃত পক্ষে আরামদায়ক পরিবেশ দেওয়ার জন্য জিনিস গুলিকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
  • Scandinavian theme এ বাড়ি সাজাতে হলে সামান্য হলেও সবুজের ছোঁয়া রাখতে হবে। Scandinavian theme এপ্রকৃতির প্রতি ভালবাসা তাদের অভ্যন্তর নকশা শৈলীতেও প্রতিফলিত হয়। তাজা ফুল এবং ইনডোর প্ল্যান্ট তাই এই theme এর গৃহসজ্জায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
  • আপনি যদি কখনও Scandinavian বা নর্ডিক দেশে গিয়ে থাকেন তবে আপনি সম্ভবত তাদের অন্ধকার শীতের সাথেসাথে তাদের সত্যিই রৌদ্রজ্জ্বল গ্রীষ্মের সাথে পরিচিত। স্ক্যান্ডিনেভিয়ার জানালাগুলি বড় এবং সর্বাধিক আলো দেওয়ারজন্য রাখা হয়। ভারতের মতো আরও গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর জন্য, বড় জানলা রাখতেই পারেন।

এই বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল করে আপনার ঘরের একঘেঁয়েমিকে অনায়াসেই কাটিয়ে উঠতে পারেন। কিছু পরিবর্তন বাড়ির ভোল পাল্টে দিতে পারে একদম। তাই পয়লা বৈশাখের আগেই বাড়ির টুকটাক বদল করে ফেলুন।

You may also like

একটি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।